প্রকাশঃ Wed, Oct 2, 2019 9:11 PM
আপডেটঃ Wed, Nov 13, 2019 2:28 AM


রাজীব-দিয়ার মৃত্যু : সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত

অনলাইন ডেস্ক

রাজীব-দিয়ার মৃত্যু : সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত

রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত করেছেন আদালত। এ মামলায় ৪১ সাক্ষীর মধ্যে ৩৭ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশ সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত করে আত্মপক্ষের সমর্থনের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এদিন মামলার বাদী নিহত দিয়া খানম মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলমকে পুনরায় জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী। তার জেরা শেষে সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত করে আত্মপক্ষের সমর্থনের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে জাবালে নূর পরিবহনের দুই বাসের রেষারেষিতে বাসচাপায় নিহত হন শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব (১৭) ও একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম (১৬)।

আহত হন আরও ১০-১৫ শিক্ষার্থী। ঘটনার দিনই নিহত দিয়া খানম মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন।

২০১৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন। ২৫ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েস আসামিদের অব্যাহতির আবেদন না মঞ্জুর করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঘটনার দিন দুপুরে চালক ও তাদের সহকারীরা বেশি লোক ওঠানোর লোভে যাত্রীদের কথা না শুনে এবং তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে জিল্লুর রহমান উড়াল সড়কের ঢালের সামনে রাস্তা ব্লক করে দাঁড়ান।

 এ সময় আরেকটি বাসের চালক মাসুম বিল্লাহ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ১৪-১৫ শিক্ষার্থীর ওপর গাড়িয়ে উঠিয়ে দেন। ঘটনাস্থলেই দুই শিক্ষার্থী নিহত এবং নয়জন আহত হন।

জাবালে নূরের যে তিন বাসের রেষারেষিতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে, সেগুলোর নিবন্ধন নম্বর হলো- ঢাকা মেট্রো ব-১১-৯২৯৭, ঢাকা মেট্রো ব-১১-৭৬৫৭ এবং ঢাকা মেট্রো ব-১১-৭৫৮০। এর মধ্যে ঢাকা মেট্রো ব-১১-৯২৯৭ নম্বর বাসের চাপায় নিহত হন দুই শিক্ষার্থী। বাসটি চালাচ্ছিলেন মাসুম বিল্লাহ।

ঢাকা মেট্রো ব-১১-৭৬৫৭ নম্বর বাসের চালক ছিলেন জুবায়ের এবং ঢাকা মেট্রো ব-১১-৭৫৮০ নম্বরধারী বাসের চালক ছিলেন সোহাগ।

অভিযুক্ত ছয় আসামি হলেন- জাবালে নূর পরিবহনের দুই বাসের মালিক শাহাদাত হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম, দুই চালক মাসুম বিল্লাহ ও জুবায়ের সুমন এবং তাদের দুই সহকারী এনায়েত হোসেন ও কাজী আসাদ। এর মধ্যে শাহাদাত হোসেনের মালিকানাধীন বাসের চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। কাজী আসাদ ও জাহাঙ্গীর আলম এখনও পলাতক।

jago new 24


ক্যাটেগরিঃ আইন-আদালত,
ট্যাগঃ রাজীব-দিয়ার মৃত্যু : সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত
বিভাগঃ ঢাকা
ঢাকা মেট্রো নিউজ


আরো পড়ুন